রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সাজেকে আটকা পড়েছে তিন শতাধিক পর্যটক

সাজেকে আটকা পড়েছে তিন শতাধিক পর্যটক

বিবর্তন প্রতিবেদক: বৈরি আবহাওয়ার কারণে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়ছে তিন শতাধিক পর্যটক। আর আটকেপড়া পর্যটকদের রুম ভাড়া ৫০ ভাগ ছাড় দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সাজেক রিসোর্ট কটেজ মালিক সমিতি।

সাজেকে পর্যটক আটকা পড়ার বিষয়টি বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও জানান, কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ধসে রাস্তাঘাটে চলাচলে তৈরি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে বাঘাইহাট বাজার ও মাচালং সেতুতে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে সাজেকে তিনশ’র বেশি পর্যটক
আটকা পড়ে আছেন। তবে সবাই নিরাপদেই আছেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার আরও বলেন, সাজেকে ২০টি মোটরসাইকেল, ২০টি জীপ, চারটি মাহেন্দ্র ও বেশ কয়েকটি প্রাইভেট কার আটকা রয়েছে।

সাজেকের স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলমান অতি ভারি বর্ষণের ফলে উজান হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার প্রধান সড়কের একটি কার্লভাট ডুবে গেছে। ফলে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা যান চলাচল সাময়িক বন্ধ আছে। যেহেতু সাজেকে দীঘিনালা হয়ে যাতায়াত করতে হয়, তাই সাজেকে যাতায়াতের পথও সাময়িকভাবে বন্ধ আছে।

পর্যটক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘গত সোমবার সাজেকে এসেছি। গতকাল রাত থেকে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ নেই। মোবাইলে নেটওয়ার্কের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সারাদিন রুমেই সময় কাটছে।’

শৈল কুঠির রিসোর্টে ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা মাসুমা পারভীন জানান, তিনি সোমবার এসেছেন। মঙ্গলবার চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যেতে পারছেন না। তবে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ ভাড়া ৫০ ভাগ কমিয়ে দেয়ায় বিষয়টি তার ভালো লেগেছে।

সাজেক হিল ভিউ রিসোর্টের মালিক ইন্দ্রজিৎ চাকমা বলেন, ‘দীঘিনালা-বাঘাইহাট সড়ক বন্ধ থাকার কারণে সাজেকে বেড়াতে আসা পর্যটক যাদের আজ ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তারা ফিরতে পারেননি। নতুন কোন পর্যটকও আসেননি আজ।’

সাজেক রিসোর্ট কটেজ মালিক সমিতির সহসভাপতি জয় মারমা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাজেক থেকে কোন গাড়ি ছেড়ে যায়নি এবং বাঘাইহাট থেকেও সাজেকে কোন গাড়ি প্রবেশ করেনি। তাই পর্যটকরা সাজেকে অবস্থান করছেন। যেহেতু তারা আটকা পড়েছেন তাই সমিতির পক্ষ থেকে সবার রুমভাড়া ৫০ ভাগ কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘যাদের মঙ্গলবারের জন্য অগ্রিম বুকিং ছিল তাদের টাকাও রিটার্ন করার জন্য বলে দেয়া হয়েছে। অগ্রিম বুকিং করা কোন পর্যটক যদি পরবর্তীতে আসতে চান তাহলে আমরা সেটা সমন্বয় করে দেব।’

ভাল লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন........

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত... © কর্তৃপক্ষদ্বারা সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত |২০২০|
Design & Developed BY CHT Technology